1. admin@dainikbanglanews.com : admin@banglanews :
  2. polash@dainikbanglanews.com : Mr Polash : Mr Polash
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
কুমিল্লায় আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনা কৃষকের মুখে সাফল্যের হাসি কুমিল্লায় ভূমিসংক্রান্ত সমস্যার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ দেবিদ্বারে ২টি অবৈধ ইটভাটা বন্ধ, ৩ লাখ টাকা জরিমানা কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১ কোটি ১৩ লাখ টাকার মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ কুমিল্লা জিলা স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র নিখোঁজ সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি কুমিল্লায় ৪০ হাজার ইয়াবাসহ চোরাকারবারি আটক দেবিদ্বারে অবৈধ ইটভাটা ও রাইস মিলের বিরুদ্ধে অভিযান ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা তিন ইটভাটা বন্ধ কুমিল্লায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ উদ্বোধন কুমিল্লায় দ্বীপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে ১৪৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার
সংবাদ শিরোনাম:
কুমিল্লায় আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনা কৃষকের মুখে সাফল্যের হাসি কুমিল্লায় ভূমিসংক্রান্ত সমস্যার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ দেবিদ্বারে ২টি অবৈধ ইটভাটা বন্ধ, ৩ লাখ টাকা জরিমানা কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১ কোটি ১৩ লাখ টাকার মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ কুমিল্লা জিলা স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র নিখোঁজ সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি কুমিল্লায় ৪০ হাজার ইয়াবাসহ চোরাকারবারি আটক দেবিদ্বারে অবৈধ ইটভাটা ও রাইস মিলের বিরুদ্ধে অভিযান ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা তিন ইটভাটা বন্ধ কুমিল্লায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ উদ্বোধন কুমিল্লায় দ্বীপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে ১৪৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার

কুমিল্লায় আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনা কৃষকের মুখে সাফল্যের হাসি

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ১৫ বার ভিউ

 

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশে আঙুর চাষের কথা উঠলেই সাধারণত চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিদেশের বিস্তীর্ণ আঙুরবাগানের ছবি। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ধারণা ছিল, দেশের আবহাওয়া ও মাটি এই ফল চাষের জন্য উপযোগী নয়। ফলে বাজারে পাওয়া অধিকাংশ আঙুরই আমদানিনির্ভর। তবে সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এক কৃষক আঙুর চাষে সফল হয়ে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছেন।

কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা শরিফপুর গ্রামের কৃষক আক্তারুজ্জামান সেকুলের বাগানে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল ও কালো রঙের আঙুর। তার এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

দীর্ঘদিন ধরেই ব্যতিক্রমধর্মী কৃষিকাজে আগ্রহী সেকুল। নতুন কিছু করার ভাবনা থেকেই তিনি আঙুর চাষের উদ্যোগ নেন। আঙুর উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে তিনি ভারতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। পরে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজ গ্রামের ৮২ শতক জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে আঙুরের বাগান গড়ে তোলেন।

বাগানে তিনি বাইনুকুর, রাশিয়ান ভ্যারাইটি এবং তুরস্কের জনপ্রিয় সিডলেস ভ্যারাইটিসহ তিন ধরনের উন্নত জাতের চারা রোপণ করেন। শুরুতে অনেকেই তার এই উদ্যোগ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলেও তিনি থেমে যাননি। নিয়মিত পরিচর্যা, সঠিক ছাঁটাই, সেচ ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গাছগুলোকে বড় করে তোলেন।

চারা রোপণের মাত্র ১০ মাসের মধ্যেই গাছে ফল ধরতে শুরু করে। শত শত থোকা আঙুরে ভরে যায় পুরো বাগান। তবে প্রথম বছরেই বেশি ফলনের দিকে না গিয়ে গাছের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য বিবেচনায় তিনি অনেক কুঁড়ি ও ফলের থোকা ছেঁটে ফেলেন। বর্তমানে প্রায় ২০০টি থোকা গাছে রাখা হয়েছে, যার প্রতিটির ওজন গড়ে প্রায় আধা কেজি। সে হিসেবে বাগানে এখন প্রায় ১০০ কেজি আঙুর রয়েছে।

কৃষক আক্তারুজ্জামান সেকুল বলেন, অনেকেই বলেছিলেন বাংলাদেশে ভালো আঙুর হবে না। কিন্তু আমি বিশ্বাস করতাম, সঠিক প্রযুক্তি ও পরিচর্যা জানলে সফল হওয়া সম্ভব। প্রথম ফলনেই যে সাড়া পেয়েছি, তাতে আমি আশাবাদী। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আঙুর চাষ করতে চাই।

তিনি বলেন, বাজারে আঙুরের চাহিদা অনেক বেশি। কৃষকরা যদি পরিকল্পিতভাবে এ চাষে এগিয়ে আসেন, তাহলে এটি লাভজনক ফসলে পরিণত হতে পারে।

আঙুরবাগানটির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ সেখানে ভিড় করছেন। কেউ কৌতূহলবশত, আবার কেউ নতুন কৃষি সম্ভাবনা দেখতে বাগানে আসছেন।

দর্শনার্থী মুনজেরিন চৌধুরী বলেন, বাজার থেকে আঙুর কিনে খেয়েছি অনেকবার, কিন্তু গাছ থেকে পেড়ে তাজা আঙুর খাওয়ার অভিজ্ঞতা একেবারেই ভিন্ন। স্বাদও দারুণ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম আরিফুজ্জামান রহমান বলেন, আমরা শুরু থেকেই কৃষক সেকুলের বাগান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে আসছি। ফলনের অবস্থা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

তিনি বলেন, কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকার মাটি ও জলবায়ু আঙুর চাষের জন্য সম্ভাবনাময় বলে মনে হচ্ছে। বিশেষ করে উঁচু জমি ও টিলাভূমিতে এ ফসলের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। আগ্রহী কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দিতে কৃষি বিভাগ প্রস্তুত।

কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকাজুড়ে রয়েছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, ছোট-বড় টিলা এবং তুলনামূলক উঁচু ভূমি। কৃষি সংশ্লিষ্টদের ধারণা, সঠিক পরিকল্পনা, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে এসব এলাকায় আঙুর চাষ নতুন কৃষি অর্থনীতির ভিত্তি তৈরি করতে পারে।

 

 

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed By: DainikBanglaNews